ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনা
Source:eurasiareview ↗

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন সীমানা এবং গভীর সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক সম্পর্কের কারণে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক, জলবণ্টন চুক্তি এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সারসংক্ষেপ
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি বিশ্লেষণ, যাতে দ্বিপাক্ষিক মতপার্থক্য দূর করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টিভঙ্গি, কূটনৈতিক আলোচনা এবং নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতাকে তুলে ধরা হয়েছে।
মূল বিষয়
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ নেতৃত্বকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসা এবং পারস্পরিক মতপার্থক্য নিরসনের একটি সুযোগ প্রদান করেছেন।
- ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে রয়েছে কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় এবং আন্তঃসীমান্ত নদীগুলির জল ব্যবস্থাপনা।
- দক্ষিণ এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
গুরুত্বপূর্ণ শব্দ
গঙ্গা জল চুক্তি
ফারাক্কা ব্যারাজের মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর শুষ্ক মৌসুমের জল বণ্টন পরিচালনা করার জন্য ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত একটি ৩০ বছরের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি।
UPSC context
WBCS পেপার II (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক): আন্তঃসীমান্ত জল কূটনীতি, জল-রাজনীতি এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বোঝাপড়া পরীক্ষা করে।
তিস্তা নদী জলবণ্টন চুক্তি
ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত তিস্তা নদীর শুষ্ক মৌসুমের জলবন্টন সংক্রান্ত একটি দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক বিরোধ, যা পশ্চিমবঙ্গ এবং তার সেচ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।
UPSC context
WBCS পেপার ২ (ভারত এবং তার প্রতিবেশী দেশসমূহ): রাজ্যের নির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক এবং সেচসংক্রান্ত সংবেদনশীলতার কারণে পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রিলিমস ফাঁদ
সাম্প্রতিক কূটনৈতিক শীর্ষসম্মেলনগুলির সময় তিস্তা নদী জলবণ্টন চুক্তি সফলভাবে স্বাক্ষরিত এবং অনুমোদিত হয়েছে।
অ্যাসপির্যান্টরা প্রায়শই ধরে নেন যে তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে, অথচ এটি ভারতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে থমকে রয়েছে।
সংযুক্ত স্থির ধারণা
ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে মূল দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলি কী কী?
- গঙ্গা চুক্তি: ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের মেয়াদের জন্য স্বাক্ষরিত, যা ফারাক্কায় গঙ্গার জল শুখা মরসুমে ভাগাভাগি করার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে।
- তিস্তা অচলাবস্থা: গ্রীষ্মকালে ডাউনস্ট্রিম বা ভাটির দিকে জলের লভ্যতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আপত্তির কারণে এটি অমীমাংসিত রয়েছে।
- সীমান্ত চুক্তি: সীমান্তবর্তী ছিটমহলবাসীদের কয়েক দশকের নাগরিকত্বের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে ২০১৫ সালে এটি চালু করা হয়।
আন্তঃবিষয় প্যাটার্ন
আন্তঃসীমান্ত নদী এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় রাজনীতি
পশ্চিমবঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন এবং অভ্যন্তরীণ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় দ্বিপাক্ষিক জল সংক্রান্ত বিরোধগুলি আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িয়ে রয়েছে।
প্রতিবেশী প্রথম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সংহতি
অ্যাক্ট ইস্ট নীতির মাধ্যমে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জুড়ে কৌশলগত সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রিলিমসে গঙ্গা জল চুক্তি নবীকরণের সময়সীমা অথবা তিস্তা নদী জলবণ্টন অচলাবস্থা সংক্রান্ত বিবৃতিভিত্তিক প্রশ্নের প্রত্যাশা করুন।
সংযুক্ত PYQ · 3
সংযুক্ত PYQ · 3
- 2018WBCS_PRELIMSGS1
Geomorphologists opine that change of the course of the Kosi river resulted in
- 2015WBCS_PRELIMSGS1
The North flowing rivers of West Bengal are
- 2023WBCS_PRELIMSGS1
Which neighboring country of India has passed its first Citizenship Amendment Bill?